২০২৪ সালের ১১ ই নভেম্বর যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রোগ্রামে বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে মভের শিকার হন এবং গ্রেফতার হন। বনানী থানায় একটি মামলা তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়,আদালত তাকে কারাগারে পাঠান, তার গ্রেপ্তার এর আগেই যাত্রাবাড়ী থানায় দুইটি হত্যা মামলা ও বংশাল থানায় একটি হত্যা মামলা, ওতওয়ালাদের থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা ছিল, প্রতিটি মামলা এফআইআর ভক্ত ছিল, তিনি পাশে আগস্ট পরবর্তী সময়ে, নেত্রীর নির্দেশে ঢাকার আইন অঙ্গনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য আইনি সহায়তা নিয়ে দাঁড়ান, সাহসিকতার সাথে আদালত অঙ্গনে অবস্থান নেন, তিনি মতিয়া চৌধুরীর জানাজায় অংশগ্রহণ করেন এবং মতিয়া চৌধুরীর কফিনে আওয়ামী লীগও যুবলীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা অর্পণ করেন, গুলশানে তার নেতৃত্বে সেদিন জয় বাংলা শ্লোগান হয়েছিল, তিনি ধানমন্ডি ৩২নম্বর, গুলিস্তান পার্টির অফিস, ধানমন্ডি ৩ এর পার্টির অফিস পার্টির অফিস সবার আগে ভিজিট করেছিলেন, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিবন্ধী মাহবুবুর রহমান তালুকদারের মৃত্যুর পর কলাপড়ায় তার নেতৃত্বে তার জানাযা এবং দাফন কাফন হয়েছিল, ৫ ই আগস্ট পরবর্তী তারিখ সাহসী ভূমিকার জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। 
টানা ১৪ মাস পর কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে ৬ ডিসেম্বর কারা মুক্ত হন। 

দীর্ঘ কারাবরণের কারণে তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ, তিনি রাজধানী এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের কাছে তার জন্য দোয়া প্রার্থনা করেছেন।